এক মানবিক মানুষ ডাক্তার কাফি
এক মানবিক মানুষ ডাক্তার কাফি! আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৩০, টাংগাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী হিসাবে যিনি চূড়ান্ত বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হন, তিনি হলেন দেশ সেরা গ্যাস্ট্রোলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, ধনবাড়ী উপজেলার ভাইঘাটের কৃতি সন্তান ডা: প্রফেসর আব্দুল্লাহিল কাফি। যার ডাকনাম বহুলুল। ১৯৭৬ সালের পহেলা নভেম্বর সমুতকুড় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- হাসমত আলী সরকার, দাদা - মিসির আলী সরকার, মাতা - শামসুন্নাহার। তার পিতা- হাসমত আলী সরকার (খোকা মাতাব্বর) কয়েক উপজেলার মধ্যে সেরা বিচারক বা সালিশদার হিসেবে খ্যাত ছিলেন। তার ন্যায়বিচারের কথা মানুষের মুখে এখনও আছে। পিতা মাতার একমাত্র ছেলে আব্দুল্লাহিল কাফি হাজরাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী উত্তীর্ণ হন। ভাইঘাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্কুলের সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে এসএসসি এবং কাগমারি এম এম আলী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। রাজনীতি: ভাইঘাট স্কুলের পড়ালেখা কালীন সময়েই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের দাওয়াত পেয়ে ১৯৮৭ সালে "কর্মী", ১৯৮৯ সালে "সাথী" এবং ১৯৯৫ সালে "সদস্য" হিসেবে নির্বাচিত হন। বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং খোদাভীরুতায় ছিলেন অনন্য। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজর শিবির সভাপতি এবং ২০০০ সালে চমেকসুর ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি ফুল প্যানেল নিয়ে পাশ করবেন এটা নিশ্চিত হওয়ার পর, তৎকালীন সরকার নির্বাচনের আগের রাতে তাকে গ্রেফতার করে নির্বাচন বন্ধ করে দেয়। পাঁচদিন গুম করে রেখে পরবর্তীতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘ ছয় মাস কারাগারে বন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়ে তিনি আবার মেডিকেল কলেজে ফিরে আসেন। শিক্ষা: ২০০০ সালে এমবিবিএস কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে। ২৪তম বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে সরকারী চাকরিতে যোগদান করেন ২০০৫ সনে। বিশেষজ্ঞ: এমসিপিএস মেডিসিন - ২০১২ এফসিপি এস গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ২০১৩ অন্যান্য অভিজ্ঞতা: কোরিয়া, জাপান, হংকং, ইউরোপ, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়া, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি দেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্যাস্ট্রোলজি বিষয়ে গবেষণা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন । দুনিয়া জুড়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন । সরকারি চাকরিতে ১০ বছর ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা প্রদান ও প্রফেসর হিসাবে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন । তার হাজারো শিক্ষার্থী আজ দেশে ও বিদেশে জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিখ্যাত হয়েছেন । অনেকেই মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক, কনসালট্যান্ট ও প্রফেসর । কারা ভোগ ও জুলুমের শিকার: ডাক্তার কাফি ২০০০ সালে ছয় মাসের অধিক কাল কারা ভোগ করেন। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের রোশানলে পরে ঘন ঘন ট্রান্সফার হন। যে কারণে পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালে সরকারি কলেজের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহন করেন। কয়েকটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজেও অধ্যাপনা করেছেন। তিনি একাধিকবার দেশ সেরা গ্যাস্ট্রোলজির অধ্যাপক হিসাবে স্বীকৃতি পান। বিবাহ: তিনি ২০০৬ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার স্ত্রীও একজন বিসিএস কর্মকর্তা। সন্তান: তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। ছেলে উচ্চমাধ্যমিকে এবং মেয়ে ক্যাডেট কলেজ অধ্যয়নরত। হজ্জব্রতব্রত্র পালন: তিনি ২০১৫ ঈসায়ী সনে মক্কায় পবিত্র হজব্রত পালন করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশিক্ষিত এবং ক্যাডার ভিত্তিক সংগঠন। এখানে নেই কোন হিংসা বিদ্বেষ ও গ্রুপিং। মধুপুর সরকারি কলেজের অধ্যাপক প্রিন্সিপাল মোন্তাজ আলীর সরকারি চাকরিজনিত অবসরকালীন হিসাব সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামী তার পরিবর্তে অধ্যাপক ডা: আব্দুল্লাহেল কাফীকে মনোনয়ন দিয়েছেন। ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে বাছাই পর্বে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে গৃহীত হন। সফল রাজনীতিবিদ এবং খোদাভীরু সম্পন্ন আরেক ডায়নামিক অত্র এলাকার কৃতি সন্তানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জেনে তার নিজ এলাকা ভাইঘাটের জনগণ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং তারা আনন্দিত। মানবিকতা: তিনি প্রায় একযুগ ধরে ভাইঘাটের "সমতকুড়" নিজ বাড়িতে প্রতি শুক্রবার বাদ ফজর ফ্রিতে রোগী দেখেন! শুক্রবার সকালে শত শত মানুষের ভিড় হয় তার বাড়ির সামনে। এখানে ধনবাড়ী, মধুপুর, গোপালপুর, সরিষাবাড়ী, জামালপুর ও মুক্তাগাছাসহ বিভিন্ন জায়গার রোগীরা নিয়মিত দেখাতে আসেন। রোগী দেখা ছাড়াও তিনি হতদরিদ্র মানুষের মাঝে দুই হস্তে দান খয়রাত করেন। এছাড়া এলাকার স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদরাসা, ঈদগা-গোরস্থান ইত্যাদির প্রতি রয়েছে তার সু-নজর এবং আন্তরিক সহযোগিতা। তার প্রার্থীতার খবর শুনে রোগীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্নজনের কাছে তাদের কাফি ডাক্তারের জন্য দ্বারেদ্বারে ভোট চাচ্ছেন। অত্র আসনের প্রায় সব গ্রামে তার নিয়মিত রোগী রয়েছে। তিনি আজ জনগণের কাছে মানবিক মানুষ হিসেবে স্বীকৃত।
এক মানবিক মানুষ ডাক্তার কাফি
এক মানবিক মানুষ ডাক্তার কাফি! আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ১৩০, টাংগাইল-১ (মধুপুর-ধনবাড়ী) আসনে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী কর্তৃক মনোনীত প্রার্থী হিসাবে যিনি চূড়ান্ত বাছাই পর্বে উত্তীর্ণ হন, তিনি হলেন দেশ সেরা গ্যাস্ট্রোলজি বিশেষজ্ঞ ডাক্তার, ধনবাড়ী উপজেলার ভাইঘাটের কৃতি সন্তান ডা: প্রফেসর আব্দুল্লাহিল কাফি। যার ডাকনাম বহুলুল। ১৯৭৬ সালের পহেলা নভেম্বর সমুতকুড় গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। পিতা- হাসমত আলী সরকার, দাদা - মিসির আলী সরকার, মাতা - শামসুন্নাহার। তার পিতা- হাসমত আলী সরকার (খোকা মাতাব্বর) কয়েক উপজেলার মধ্যে সেরা বিচারক বা সালিশদার হিসেবে খ্যাত ছিলেন। তার ন্যায়বিচারের কথা মানুষের মুখে এখনও আছে। পিতা মাতার একমাত্র ছেলে আব্দুল্লাহিল কাফি হাজরাবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় থেকে পঞ্চম শ্রেণী উত্তীর্ণ হন। ভাইঘাট বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয় থেকে স্কুলের সর্বোচ্চ নম্বর পেয়ে এসএসসি এবং কাগমারি এম এম আলী সরকারি কলেজ থেকে এইচএসসি পরীক্ষায় প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হন। রাজনীতি: ভাইঘাট স্কুলের পড়ালেখা কালীন সময়েই বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের দাওয়াত পেয়ে ১৯৮৭ সালে "কর্মী", ১৯৮৯ সালে "সাথী" এবং ১৯৯৫ সালে "সদস্য" হিসেবে নির্বাচিত হন। বলিষ্ঠ নেতৃত্ব এবং খোদাভীরুতায় ছিলেন অনন্য। পরবর্তীতে চট্টগ্রাম মেডিক্যাল কলেজর শিবির সভাপতি এবং ২০০০ সালে চমেকসুর ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। তিনি ফুল প্যানেল নিয়ে পাশ করবেন এটা নিশ্চিত হওয়ার পর, তৎকালীন সরকার নির্বাচনের আগের রাতে তাকে গ্রেফতার করে নির্বাচন বন্ধ করে দেয়। পাঁচদিন গুম করে রেখে পরবর্তীতে তাকে কারাগারে পাঠানো হয়। দীর্ঘ ছয় মাস কারাগারে বন্দি থাকার পর মুক্তি পেয়ে তিনি আবার মেডিকেল কলেজে ফিরে আসেন। শিক্ষা: ২০০০ সালে এমবিবিএস কৃতিত্বের সাথে উত্তীর্ণ হন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ থেকে। ২৪তম বিসিএস উত্তীর্ণ হয়ে সরকারী চাকরিতে যোগদান করেন ২০০৫ সনে। বিশেষজ্ঞ: এমসিপিএস মেডিসিন - ২০১২ এফসিপি এস গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি ২০১৩ অন্যান্য অভিজ্ঞতা: কোরিয়া, জাপান, হংকং, ইউরোপ, মালয়েশিয়া, অস্ট্রেলিয়া, ইন্ডিয়া, সিঙ্গাপুর ইত্যাদি দেশ থেকে প্রশিক্ষণ নিয়ে গ্যাস্ট্রোলজি বিষয়ে গবেষণা ও উচ্চতর প্রশিক্ষণ গ্রহণ করেন । দুনিয়া জুড়ে বিভিন্ন বৈজ্ঞানিক সম্মেলনে অংশগ্রহণ করেন । সরকারি চাকরিতে ১০ বছর ঢাকা মেডিকেল কলেজে চিকিৎসা প্রদান ও প্রফেসর হিসাবে মেডিকেল শিক্ষার্থীদের প্রশিক্ষণ প্রদান করেন । তার হাজারো শিক্ষার্থী আজ দেশে ও বিদেশে জুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে এবং বিখ্যাত হয়েছেন । অনেকেই মেডিক্যাল কলেজের শিক্ষক, কনসালট্যান্ট ও প্রফেসর । কারা ভোগ ও জুলুমের শিকার: ডাক্তার কাফি ২০০০ সালে ছয় মাসের অধিক কাল কারা ভোগ করেন। তিনি ফ্যাসিস্ট সরকারের রোশানলে পরে ঘন ঘন ট্রান্সফার হন। যে কারণে পরবর্তী সময়ে ২০১৭ সালে সরকারি কলেজের অধ্যাপক হিসেবে কর্মরত অবস্থায় তিনি স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহন করেন। কয়েকটি বেসরকারি মেডিক্যাল কলেজেও অধ্যাপনা করেছেন। তিনি একাধিকবার দেশ সেরা গ্যাস্ট্রোলজির অধ্যাপক হিসাবে স্বীকৃতি পান। বিবাহ: তিনি ২০০৬ সালে বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হন। তার স্ত্রীও একজন বিসিএস কর্মকর্তা। সন্তান: তিনি এক ছেলে ও এক মেয়ের জনক। ছেলে উচ্চমাধ্যমিকে এবং মেয়ে ক্যাডেট কলেজ অধ্যয়নরত। হজ্জব্রতব্রত্র পালন: তিনি ২০১৫ ঈসায়ী সনে মক্কায় পবিত্র হজব্রত পালন করেন। বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী একটি সুশিক্ষিত এবং ক্যাডার ভিত্তিক সংগঠন। এখানে নেই কোন হিংসা বিদ্বেষ ও গ্রুপিং। মধুপুর সরকারি কলেজের অধ্যাপক প্রিন্সিপাল মোন্তাজ আলীর সরকারি চাকরিজনিত অবসরকালীন হিসাব সংক্রান্ত আইনি জটিলতার কারণে কেন্দ্রীয় জামায়াতে ইসলামী তার পরিবর্তে অধ্যাপক ডা: আব্দুল্লাহেল কাফীকে মনোনয়ন দিয়েছেন। ২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬ অনুষ্ঠিতব্য টাঙ্গাইল জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার মাধ্যমে বাছাই পর্বে চূড়ান্ত প্রার্থী হিসেবে গৃহীত হন। সফল রাজনীতিবিদ এবং খোদাভীরু সম্পন্ন আরেক ডায়নামিক অত্র এলাকার কৃতি সন্তানকে মনোনয়ন দেওয়া হয়েছে জেনে তার নিজ এলাকা ভাইঘাটের জনগণ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নেতৃবৃন্দকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন এবং তারা আনন্দিত। মানবিকতা: তিনি প্রায় একযুগ ধরে ভাইঘাটের "সমতকুড়" নিজ বাড়িতে প্রতি শুক্রবার বাদ ফজর ফ্রিতে রোগী দেখেন! শুক্রবার সকালে শত শত মানুষের ভিড় হয় তার বাড়ির সামনে। এখানে ধনবাড়ী, মধুপুর, গোপালপুর, সরিষাবাড়ী, জামালপুর ও মুক্তাগাছাসহ বিভিন্ন জায়গার রোগীরা নিয়মিত দেখাতে আসেন। রোগী দেখা ছাড়াও তিনি হতদরিদ্র মানুষের মাঝে দুই হস্তে দান খয়রাত করেন। এছাড়া এলাকার স্কুল-কলেজ, মসজিদ-মাদরাসা, ঈদগা-গোরস্থান ইত্যাদির প্রতি রয়েছে তার সু-নজর এবং আন্তরিক সহযোগিতা। তার প্রার্থীতার খবর শুনে রোগীরা বাড়ি বাড়ি গিয়ে বিভিন্নজনের কাছে তাদের কাফি ডাক্তারের জন্য দ্বারেদ্বারে ভোট চাচ্ছেন। অত্র আসনের প্রায় সব গ্রামে তার নিয়মিত রোগী রয়েছে। তিনি আজ জনগণের কাছে মানবিক মানুষ হিসেবে স্বীকৃত।