ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমদী নেজাত গ্রেফতার
নজির বিহীন ঘটনা! মোসাদের এজেন্ট হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পর আইআরজিসির বিশেষ বাহিনীর হাতে আটক ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ! আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন নাটকীয়তা! ইরানের সাবেক কট্টরপন্থী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইসরায়েলের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা 'মোসাদ'-এর সাথে গোপন আঁতাত ছিল আহমাদিনেজাদের। মোসাদের পরিকল্পনা ছিল ইরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে আহমাদিনেজাদকে পরবর্তী শাসক হিসেবে ক্ষমতায় বসানো। এই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে হাঙ্গেরি ও গুয়াতেমালা সফরের সময় আহমাদিনেজাদ ও তার মুখপাত্র মোসাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার লোভে আহমাদিনেজাদ পরোক্ষভাবে মোসাদের পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন এবং পুনরায় নির্বাচিত হলে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মনোভাবও দেখান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন যুদ্ধ শুরু হয়, তখন ইসরায়েলি বিমান বাহিনী তেহরানে আহমাদিনেজাদের বাসভবনে একটি বিশেষ হামলা চালায়। হামলার উদ্দেশ্য ছিল তাকে পাহারা দেওয়া ইরানি রক্ষীদের খতম করে তাকে মুক্ত করা। সেই হামলায় আহমাদিনেজাদ সামান্য আহত হলেও বেঁচে যান। হামলার পরপরই ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টরা একটি কালো রঙের পিউজো গাড়িতে করে আহমাদিনেজাদকে উদ্ধার করে ইরানের ভেতরেই একটি অত্যন্ত গোপন আস্তানায় নিয়ে যায়! মোসাদের পরিকল্পনা ছিল ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে তাকে দিয়ে একটি 'বিকল্প সরকার' গঠন করা। তবে ইসরায়েলের এই পুরো পরিকল্পনা ও যুদ্ধক্ষেত্রের বিশৃঙ্খলা দেখে আহমাদিনেজাদ নিজেই সন্দিহান হয়ে পড়েন। তিনি বুঝতে পারেন মোসাদ তাকে কেবল ব্যবহার করছে। ফলে তিনি নিজেই মোসাদের সেই গোপন আস্তানা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। এই ঘটনার দীর্ঘদিন পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজায় তাঁকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা যায়। এরপর থেকে তাঁকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, মোসাদের সঙ্গে এই সংযোগের অকাট্য প্রমাণ পাওয়ার পর ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বর্তমানে তিনি কড়া নজরদারিতে গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন। একসময়ের ইসরায়েল-বিরোধী কট্টর নেতা কীভাবে মোসাদের ট্র্যাপে পড়লেন, তা নিয়ে এখন তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি।
ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমদী নেজাত গ্রেফতার
নজির বিহীন ঘটনা! মোসাদের এজেন্ট হিসেবে প্রমাণিত হওয়ার পর আইআরজিসির বিশেষ বাহিনীর হাতে আটক ইরানের সাবেক প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদ! আন্তর্জাতিক রাজনীতিতে এক নজিরবিহীন নাটকীয়তা! ইরানের সাবেক কট্টরপন্থী প্রেসিডেন্ট মাহমুদ আহমাদিনেজাদকে নিয়ে নিউইয়র্ক টাইমসের একটি চাঞ্চল্যকর অনুসন্ধানী প্রতিবেদন পুরো বিশ্বকে নাড়িয়ে দিয়েছে। অভিযোগ উঠেছে, ইসরায়েলের কুখ্যাত গোয়েন্দা সংস্থা 'মোসাদ'-এর সাথে গোপন আঁতাত ছিল আহমাদিনেজাদের। মোসাদের পরিকল্পনা ছিল ইরানে বর্তমান শাসনব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে আহমাদিনেজাদকে পরবর্তী শাসক হিসেবে ক্ষমতায় বসানো। এই পরিকল্পনার অংশ হিসাবে হাঙ্গেরি ও গুয়াতেমালা সফরের সময় আহমাদিনেজাদ ও তার মুখপাত্র মোসাদের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তাদের সাথে গোপন বৈঠকে মিলিত হন। ক্ষমতা ফিরে পাওয়ার লোভে আহমাদিনেজাদ পরোক্ষভাবে মোসাদের পরিকল্পনাকে সমর্থন করেন এবং পুনরায় নির্বাচিত হলে ইসরায়েলকে রাষ্ট্র হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়ার মনোভাবও দেখান। গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যখন যুদ্ধ শুরু হয়, তখন ইসরায়েলি বিমান বাহিনী তেহরানে আহমাদিনেজাদের বাসভবনে একটি বিশেষ হামলা চালায়। হামলার উদ্দেশ্য ছিল তাকে পাহারা দেওয়া ইরানি রক্ষীদের খতম করে তাকে মুক্ত করা। সেই হামলায় আহমাদিনেজাদ সামান্য আহত হলেও বেঁচে যান। হামলার পরপরই ইসরায়েলি গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এজেন্টরা একটি কালো রঙের পিউজো গাড়িতে করে আহমাদিনেজাদকে উদ্ধার করে ইরানের ভেতরেই একটি অত্যন্ত গোপন আস্তানায় নিয়ে যায়! মোসাদের পরিকল্পনা ছিল ইরানি শাসনব্যবস্থার পতন ঘটিয়ে তাকে দিয়ে একটি 'বিকল্প সরকার' গঠন করা। তবে ইসরায়েলের এই পুরো পরিকল্পনা ও যুদ্ধক্ষেত্রের বিশৃঙ্খলা দেখে আহমাদিনেজাদ নিজেই সন্দিহান হয়ে পড়েন। তিনি বুঝতে পারেন মোসাদ তাকে কেবল ব্যবহার করছে। ফলে তিনি নিজেই মোসাদের সেই গোপন আস্তানা ছেড়ে বেরিয়ে আসেন। এই ঘটনার দীর্ঘদিন পর ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির জানাজায় তাঁকে সর্বশেষ জনসমক্ষে দেখা যায়। এরপর থেকে তাঁকে আর জনসমক্ষে দেখা যায়নি। বিশ্বস্ত সূত্রের দাবি, মোসাদের সঙ্গে এই সংযোগের অকাট্য প্রমাণ পাওয়ার পর ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (IRGC) তাঁকে গ্রেপ্তার করেছে এবং বর্তমানে তিনি কড়া নজরদারিতে গৃহবন্দি অবস্থায় আছেন। একসময়ের ইসরায়েল-বিরোধী কট্টর নেতা কীভাবে মোসাদের ট্র্যাপে পড়লেন, তা নিয়ে এখন তোলপাড় বিশ্বরাজনীতি।