কর্নেল অলি আহমদই হচ্ছেন জামায়াত জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী
দলের ঊর্ধ্বে উঠে জামায়াত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়েছে। কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী করাটা একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হয়েছে বটে। কারণ তিনি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ছিলেন। জামায়াতের সৈয়দ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার, হামিদুর রহমান আজাদ ও আজহার সাহেবদের নাম আলোচনায় থাকলেও ১১ দলীয় ঐক্যের নিমিত্তে এলডিপির কর্নেল অলি আহমদকে সিলেক্ট করেছে জামায়াতে ইসলামী। মুক্তিযুদ্ধ ও জামায়াত- এই বয়ানের মুখে মিসাইল নিক্ষেপ করেছে জামায়াতে ইসলামী। পরিস্থিতি বিবেচনায় ৭১এ জামায়াতের অবস্থান নিয়ে নানান আলোচনা সমালোচনা থাকলেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী জামায়াত যে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে, তা স্পষ্ট। আজকে নিজের দলের রাষ্ট্রপতি পদটাও একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দিয়েছেন; যিনি মুক্তিযুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণাকারী হিসাবে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম খেতাব বীর বিক্রিম উপাধিপ্রাপ্ত একজন এখন জামায়াতের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী। কর্নেল অলি আহমদ ৬বারের এমপি। একাধিকবার মন্ত্রীত্বের পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পদে তিনি অবশ্যই যোগ্যতার দিক দিয়ে এগিয়ে থাকবেন। যদিও বিএনপির প্রার্থীর কাছে কর্নেল অলি পরাজিত হবেন সিউর; তথাপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি কর্নেল অলি। এখন হেরে যাবেন দেখে জামায়াত তাঁকে প্রার্থীতা দিয়েছে, বিষয়টা এমন না- জোটবদ্ধ হওয়ার সময় থেকেই এই আলোচনা ছিল। অর্থাৎ জামায়াত ক্ষমতায় আসলে রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য কর্নেল অলি ফাস্ট চয়েসে থাকতেন। যাইহোক, ১১ দলীয় জোটের কম্বিনেশন ভালো লেগেছে। সবার মধ্যে বেশ আন্তরিকতা দৃশ্যমান হচ্ছে। গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য অটুট থাকবে বলে সব দলই সম্মতি দিয়েছে। অর্থাৎ জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হওয়া পর্যন্ত এই জোট অটুট থাকবে। পরবর্তীতে কী হবে, তা পরের আলাপ। আপাতত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ইস্যুতে জোটের মধ্যে কোন ফাটল ধরতেছে না। এটাতে সিউর থাকা যায়। #JamaatIslami #change #systemsthinking
কর্নেল অলি আহমদই হচ্ছেন জামায়াত জোটের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী
দলের ঊর্ধ্বে উঠে জামায়াত ঐতিহাসিক সিদ্ধান্ত নিতে সক্ষম হয়েছে। কর্নেল অলি আহমদকে রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের প্রার্থী করাটা একটা যুগান্তকারী সিদ্ধান্ত হয়েছে বটে। কারণ তিনি রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘনিষ্ঠ সঙ্গী ছিলেন। জামায়াতের সৈয়দ তাহের, মিয়া গোলাম পরওয়ার, হামিদুর রহমান আজাদ ও আজহার সাহেবদের নাম আলোচনায় থাকলেও ১১ দলীয় ঐক্যের নিমিত্তে এলডিপির কর্নেল অলি আহমদকে সিলেক্ট করেছে জামায়াতে ইসলামী। মুক্তিযুদ্ধ ও জামায়াত- এই বয়ানের মুখে মিসাইল নিক্ষেপ করেছে জামায়াতে ইসলামী। পরিস্থিতি বিবেচনায় ৭১এ জামায়াতের অবস্থান নিয়ে নানান আলোচনা সমালোচনা থাকলেও মুক্তিযুদ্ধ পরবর্তী জামায়াত যে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষার্থে সবচেয়ে বেশি ভূমিকা রেখেছে, তা স্পষ্ট। আজকে নিজের দলের রাষ্ট্রপতি পদটাও একজন মুক্তিযোদ্ধাকে দিয়েছেন; যিনি মুক্তিযুদ্ধে প্রথম বিদ্রোহ ঘোষণাকারী হিসাবে পরিচিত। মুক্তিযুদ্ধের অন্যতম খেতাব বীর বিক্রিম উপাধিপ্রাপ্ত একজন এখন জামায়াতের রাষ্ট্রপতি প্রার্থী। কর্নেল অলি আহমদ ৬বারের এমপি। একাধিকবার মন্ত্রীত্বের পদেও দায়িত্ব পালন করেছেন। এক্ষেত্রে রাষ্ট্রপতির পদে তিনি অবশ্যই যোগ্যতার দিক দিয়ে এগিয়ে থাকবেন। যদিও বিএনপির প্রার্থীর কাছে কর্নেল অলি পরাজিত হবেন সিউর; তথাপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনে অংশগ্রহণ করা সবচেয়ে যোগ্য ব্যক্তি কর্নেল অলি। এখন হেরে যাবেন দেখে জামায়াত তাঁকে প্রার্থীতা দিয়েছে, বিষয়টা এমন না- জোটবদ্ধ হওয়ার সময় থেকেই এই আলোচনা ছিল। অর্থাৎ জামায়াত ক্ষমতায় আসলে রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য কর্নেল অলি ফাস্ট চয়েসে থাকতেন। যাইহোক, ১১ দলীয় জোটের কম্বিনেশন ভালো লেগেছে। সবার মধ্যে বেশ আন্তরিকতা দৃশ্যমান হচ্ছে। গণভোট ও জুলাই সনদ বাস্তবায়নের দাবিতে ১১ দলীয় ঐক্য অটুট থাকবে বলে সব দলই সম্মতি দিয়েছে। অর্থাৎ জাতির আশা আকাঙ্ক্ষার প্রতিফলন হওয়া পর্যন্ত এই জোট অটুট থাকবে। পরবর্তীতে কী হবে, তা পরের আলাপ। আপাতত গণভোটের রায় বাস্তবায়নের ইস্যুতে জোটের মধ্যে কোন ফাটল ধরতেছে না। এটাতে সিউর থাকা যায়। #JamaatIslami #change #systemsthinking