শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি আর আবরারের সভাপতিত্বে নন-এমপিও ঐক্য পরিষদের সঙ্গে কিছু বিষয়ে আলাপ হয়েছে। আলাপকালে শিক্ষকরা কয়েকটি রাজনৈতিক দলের নেতাকে সাথে করে নিয়ে যান। তারা ওই বৈঠকে থেকে নানা বিষয় শুনেছেন। বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন জামায়াতে ইসলামীর নায়েবে আমির অধ্যাপক মজিবুর রহমান, গণসংহতি আন্দোলনের আহ্বায়ক জোনায়েদ সাকি, বাংলাদেশের সমাজতান্ত্রিক দলের সহ-সম্পাদক রাজেকুজ্জামান রতন, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঢাকা মহানগর দক্ষিণের সম্পাদক ড. শফিকুল ইসলাম মাসুদ, আমার বাংলাদেশ (এবি) পার্টির শিক্ষা বিভাগের সভাপতি অধ্যাপক ওমর ফারুক, বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের সাংগঠনিক সম্পাদক মাওলানা মোঃ ফয়সালসহ বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ। শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের জনসংযোগ শাখা থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এসব কথা বলা হয়েছে। তবে, সেখানে কোনো সাংবাদিক উপস্থিত ছিলেন না। কোনো তথ্যের সত্যতা যাচাই করা যায়নি। বৈঠকে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-কর্মচারীদের এমপিওভুক্তকরণ প্রক্রিয়া, নীতিমালা, বাস্তবায়ন কৌশল ও সরকারের চলমান পদক্ষেপ নিয়ে কথা হয় বলেও বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়। শিক্ষা উপদেষ্টা অধ্যাপক ড. সি. আর. আবরার বৈঠকে উপস্থিত রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দকে এমপিও নীতিমালা সম্পর্কে বিস্তারিতভাবে বলেন। সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, “শিক্ষার মানোন্নয়ন ও টেকসই উন্নয়নের ভিত্তি গড়ে তুলতে নন-এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক লক্ষাধিক শিক্ষাকর্মীর সমস্যার সমাধানে সরকার আন্তরিক। একটি কার্যকর, স্বচ্ছ ও বাস্তবসম্মত এমপিও প্রক্রিয়া বাস্তবায়নে সরকার কাজ করে যাচ্ছে।” বৈঠকে উপস্থিত বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ নন-এমপিও শিক্ষক-কর্মচারীদের দীর্ঘদিনের দাবি বিবেচনায় সরকার যে পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে তাকে স্বাগত জানান। তারা বলেন—শিক্ষার মানোন্নয়ন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের টেকসই উন্নয়ন এবং শিক্ষক-কর্মচারীদের ন্যায়সংগত অধিকার নিশ্চিত করতে তারা সরকারের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করবেন। শিক্ষা উপদেষ্টা সব রাজনৈতিক দল ও স্টেকহোল্ডারদের উদ্দেশে বলেন— “শিক্ষা হলো জাতীয় উন্নয়নের মেরুদণ্ড। একটি উন্নত ও জ্ঞান-নির্ভর দেশ গঠনে আমাদের সবার সমন্বিত প্রচেষ্টা অপরিহার্য। বৈঠক শেষে নন-এমপিও শিক্ষকদের সমস্যা সমাধানে নিয়মিত যোগাযোগ ও পরবর্তী কর্মপরিকল্পনা নিয়ে অগ্রসর হওয়ার বিষয়ে সংশ্লিষ্টরা একমত হন।
এখনো কোনো মন্তব্য করা হয়নি।